1. admin@baghasylhet.com : admin :
শাস্তি পেলেন র‍্যাবের আলোচিত ম্যাজিস্ট্রেট সারওয়ার আলম। -
সোমবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২২, ০১:০১ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
সিলেট জেলা পরিষদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন চান আওয়ামী লীগের পাঁচ নেতা গোলাপগঞ্জে বাঘায় শিশুকে বলৎকার করে ভিডিও ফেইসবুকে : ঘটনা ধামাচাপার চেষ্টা গোলাপগঞ্জে স্কুল ছাত্রীকে ইভটিজিং করার অভিযোগে যুবক আ.ট.ক, অ.র্থ.দ.ন্ড বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোট গোলাপগঞ্জ উপজেলা শাখার নব-গঠিত কমিটির নেতৃবৃন্দকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন সিলেট জেলা আওয়ামী লীগের কার্যনির্বাহী সদস্য শাহিদুর রাহমান চৌধুরী জাবেদ। ৮০ হাজার টাকায় ২ সন্তানকে বিক্রি, মায়ের কোলে ফিরিয়ে দিলেন ওসি রাজাগঞ্জে নাজিম হত্যার রহস্য উদ্ঘাটন গোয়াইনঘাটে খুনের ঘটনায় মূল আসামিসহ আটক ১২ গোয়ানইঘাটে যুবককে জবাই করে হত্যা : ঘরে আগুন গোলাপগঞ্জে বিজিএফ এর চাল নিয়ে চালবাজি। দায়সারা বক্তব্য ইউএনও এর টানা তাপদাহে বিপর্যস্ত সিলেটের জনজীবন পটুয়াখালীর দুমকীতে পারিবারিক বিরোধে কুপিয়ে জখম রাজাগঞ্জে নিখোঁজের পরদিন ব্যবসায়ীর লাশ উদ্ধার সিলেটে ৩ মাসের জন্য স্থগিত কিস্তি আদায় কোরবানির এক টুকরো মাংস জোটেনি যে গ্রামে ঈদে আশানুরূপ পর্যটক নেই সাদা পাথরে, হতাশ ব্যবসায়ীরা

শাস্তি পেলেন র‍্যাবের আলোচিত ম্যাজিস্ট্রেট সারওয়ার আলম।

  • আপডেট সময় : শনিবার, ৭ মে, ২০২২
ঢাকা প্রতিনিধিঃ

শাস্তি পেলেন র‍্যাবের আলোচিত ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ সারোয়ার আলম। লঘু দণ্ডের সম্মুখীন করা হয়েছে তাকে। বিভিন্ন গণমাধ্যমের বরাত দিয়ে জানা যায় তিনি বর্তমানে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সহকারী সচিব হিসেবে কর্মরত আছেন।
সম্প্রতি এক প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে তার বিরুদ্ধে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে,তাকে তিরস্কার সূচক লঘুদন্ড দিয়ে।

জানা যায়, প্রশাসনের ৩৩৭ জন সিনিয়র সহকারী সচিবকে উপ-সচিব পদে পদোন্নতি দেয় সরকার ২০২১সালের ৭ মার্চ। ২৭তম বিসিএসের প্রশাসন ক্যাডারের আলোচিত এ কর্মকর্তা তখন পদোন্নতিবঞ্চিত হন

২০০৮ সালের নভেম্বর মাসে সরকারি চাকরিতে যোগ দেন সারোয়ার আলম,বিসিএসের ২৭তম প্রশাসন ক্যাডার হিসেবে। এর পর ২০১৪ সালের ১ জুন সিনিয়র সহকারী সচিব হিসেবে প্রথম পদোন্নতি পান তিনি। সে অনুযায়ী এ পদে প্রায় সাত বছরসহ মোট ১২ বছরেরও বেশি সময় ধরে প্রশাসন ক্যাডার হিসেবে কর্মরত থাকলেও সেসময় পদোন্নতিবঞ্চিত হন সারওয়ার আলম।

পরদিন ৮ মার্চ বিসিএস ২৭তম ব্যাচের এই কর্মকর্তা ফেসবুকে লিখেছেন, ‘চাকুরী জীবনে যেসব কর্মকর্তা-কর্মচারী অন্যায়, অনিয়মের বিরুদ্ধে লড়েছেন তাদের বেশিরভাগই চাকুরী জীবনে পদে পদে বঞ্চিত ও নিগৃহীত হয়েছেন এবং এ দেশে অন্যায়ের বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়াটাই অন্যায়।’

এর পর জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় এই ফেইসবুক স্ট্যাটাসটি দেওয়ার কারণে সারওয়ার আলমকে বিচারের আওতায় নিয়ে আসে। ৩০ জুন ২০২১ সালে তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা হয় এবং তার কাছ থেকে এই বিষয়ে জানার জন্য তাকে তলব করা হয়। কিন্তু তিনি এই বিষয়ে কোনো লিখিত বক্তব্য দেন নি।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, প্রবাসী ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের একজন সিনিয়র সহকারী কর্মচারী হয়েও সরকার ও কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে এ ধরনের মন্তব্য দেওয়ায় এতে জনপ্রশাসনের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ হওয়ায় ‘সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা, ২০১৮’ এর ৩ (খ) বিধি অনুযায়ী ‘অসদাচরণ’ এর অভিযোগে তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা করে গত বছরের ৩০ জুন অভিযোগনামা ও অভিযোগ বিবরণী পাঠিয়ে উনার কাছ থেকে জবাব চাওয়া হয়।

এতে বলা হয়, সারওয়ার আলম আত্মপক্ষ সমর্থনে কোনো লিখিত বক্তব্য দিতে পারেননি। এই অভিযোগের বিষয়ে তদন্ত কর্মকর্তা নিয়োগ করা হয়। তদন্ত কর্মকর্তা তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করলে, তদন্ত প্রতিবেদন পর্যালোচনায় দেখা যায় সারওয়ার আলম ফেসবুকে মন্তব্য করার বিষয়টি স্বীকার করেছেন এবং তার বিরুদ্ধে আনা ‘অসদাচরণ’ এর অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে।

তাই ‘সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা, ২০১৮’ এর ৩(খ) বিধিতে বর্ণিত ‘অসদাচরণ’ এর অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় বিধিমালার ৪(২)(ক) বিধি অনুযায়ী তাকে ‘তিরস্কার’ সূচক লঘুদণ্ড দেয়া হয়েছে বলে প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে।

সারওয়ার আলমের কাছে পদোন্নতি না পাওয়ার কারণ জানতে চাইলে গত বছর সরাসরি কিছু বলেননি তিনি তবে সে সময় তিনি ঢাকা পোস্টকে বলেছিলেন, পদোন্নতির প্রজ্ঞাপন জারি হওয়ার পর অনেকেই আমাকে ফোন দিয়ে এ বিষয়ে জানতে চেয়েছেন। আমার পদোন্নতি হয়নি বলে অনেক সরকারি কর্মকর্তা, এমনকি পদোন্নতি পাওয়া অনেকেই বিশ্বাস করতে পারছেন না বলে আমাকে জানিয়েছেন। বিষয়টি নিয়ে তারা অবাক হয়েছেন। তবে এটাই বাস্তবতা।

তিনি আরও বলেছিলেন, আমি সবসময় জনগণের জন্য কাজ করেছি। যেসব জায়গায় জনগণ প্রতারিত হচ্ছিল, সেগুলো ধরে ধরে কাজ করে মানুষের মনে স্থান করতে পেরেছি। সততা, কর্মদক্ষতা কোনোদিক দিয়েই পিছিয়ে ছিলাম না। আমার প্রমোশন হয়নি, এটা কেউই বিশ্বাস করতে পারছেন না।

২০২১ সালে প্রশাসনে উপসচিব পদে বড় পদোন্নতি দেয় সরকার। এই পদোন্নতির ক্ষেত্রে মূল বিবেচ্য ছিল বিসিএসের ২৭তম ব্যাচ। এ ব্যাচের প্রশাসন ক্যাডারের ২৪০ জনকে (ইকোনমিক ক্যাডার বিলুপ্ত হওয়ায় প্রশাসন ক্যাডারে অন্তর্ভুক্ত হওয়া কর্মকর্তাসহ) পদোন্নতি দেওয়া হয়। কিন্তু তিন শতাধিক সফল অভিযানের ট্যাগ লাগানো র‍্যাবের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. সারোয়ার আলমের পদোন্নতি মেলেনি। মেধা কোটায় চাকরি পাওয়া ২৭তম ব‍্যাচের মেধা তালিকায় সামনের দিকে তার সিরিয়াল থাকলেও তাকে পদোন্নতি দেওয়া হয়নি।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published.

এ জাতীয় আরও খবর

ফেসবুকে আমরা

© All rights reserved © 2022 Bagha Sylhet
Theme Customized By Shakil IT Park